কোথায় ..কি খাব?

দুর্গোৎসব মানেই খাদ্যরসিক বাঙালির ভুরি ভোজের বিপুল আয়োজন। ‘আনন্দউৎসব'-এর ভাল মন্দ তাই এবার, কলকাতার সেরা দশটি খাবার জায়গার সুলুক-সন্ধান নিয়ে এল আপনাদের জন্য।

পুজোর খাওয়া দাওয়া

ঢাকের শব্দ থামতে না থামতেই অন্দরমহল থেকে ভেসে আসত ভোজের ডাক। আর তক্ষুনি গোল্লাছুটের মাঠ ছেড়ে দৌড়। পদ্মপাতার সামনে সার সার হয়ে খেতে বসার আগেই মালুম হত, ভুরভুরে গন্ধে ম ম ঠাকুরদালান। মেনুতে যে বাংলা পোলাও! সঙ্গে বিনা পেঁয়াজের মাংসের কালিয়া। আর শেষ পাতে জাফরান সন্দেশ! স্মৃতির সরণি হেঁটে সেই সব সাবেক দিনের দশটি পদ নিয়ে এবারের 'আনন্দ উৎসব'-এর ভাল মন্দ।


বাংলা পোলাও

উপকরণঃ বাসমতি চাল ৩ কেজি, জল ১২ কাপ, জাফরান ১ চিমটে, ঘি ২০০ গ্রাম, কাজু বাদাম ১৫০ গ্রাম, কিশমিশ ৫০ গ্রাম, গোটা গরমমশলা ৫ গ্রাম, দারচিনি, তেজপাতা, ছোট এলাচ, ১/২ চামচ জায়ফল, ১ চা চামচ জয়িত্রী গুঁড়ো, ১ চা চামচ গরমমশলা গুঁড়ো, ১ চামচ কেওড়ার জল, ১ চামচ গোলাপ জল, সাজানোর জন্য গোলাপ, যামিনী, মগরা ফুল, ১০০ গ্রাম চিনি, স্বাদ মতো নুন।

প্রণালীঃ প্রথমে চালটা ভাল করে ধুয়ে নিয়ে ঘণ্টা খানেক ভিজিয়ে রাখতে হবে। তার পর ভাল করে জল ঝরিয়ে ১টা বড় পাত্রে সেদ্ধ করার জন্য রাখুন ও তাতে একটু জাফরান দিয়ে দিতে হবে। তার পর চালটাকে অর্ধেক সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তার পর ঐ অর্ধেক সেদ্ধ চালটাকে অন্য পাত্রে তুলে রাখতে হবে। আগে মাঝারি আঁচে ঘি গরম করে নিতে হবে। তার পর তাতে কাজু, কিশমিশ ও গরম মশলা দিতে হবে ও একটু ভাজা ভাজা হয়ে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে হবে। এ বার ঐ মিশ্রণে চাল, চিনি, পরিমাণ মতো নুন, জায়ফল, জয়িত্রী গুঁড়ো, গুঁড়ো গরম মশলা ও কেওড়ার জল দিন। এ বার আঁচ বাড়িয়ে ভাল করে দেড়ে পাত্রটি/কড়াইটি ঢেকে দিতে হবে। তার পর ৫-৭ মিনিট পর ঢাকাটা খুলে দেখে নিতে হবে যে চালটা সেদ্ধ হয়েছে কিনা। না হলে আর একটু জল দিয়ে ৩-৪ মিনিট বেশি আঁচে ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে। তার পর চালটা সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে ৫-৭ মিনিট ঢাকা দেওয়া অবস্থায় রাখতে হবে। তৈরি বাংলা পোলাও।

শেফ অনুসূয়া মিত্র