বাংলা ব্লগ
অনর্থনীতি
নরেন্দ্র মোদীর প্রমাণিত পরাজয়
নরেন্দ্র মোদী ভোট জেতাতে পারবেন না, প্রমাণ হয়ে গেল! কর্নাটকের বিধানসভা নির্বাচনের ফল নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বসে মাথা ঘামানোর কোনও কারণ আছে কি? আমি বলব, অন্তত দুটো বড় কারণ আছে। আসছে বছর যে লোকসভা নির্বাচন হবে, তার সমীকরণগুলো বুঝতে এই দুটো কারণই অতি জরুরি। কাজেই, কয়েকটা কথা বলা যাক।পড়ুন
হ্যাংলানামা
কিন্তু সবার চাইতে ভালো...
ছোটবেলায় ভাই প্রায়ই একটা স্বপ্ন দেখত। খোয়াবের কেন্দ্রীয় চরিত্র পাঁউরুটিওয়ালা। সাইকেল ভ্যান ঠেলে সে দরজায় টোকা মারত ভোরবেলায়। দরজা খুলতেই গরম পাঁউরুটি হাতে তুলে দিয়ে পাক্কা গ্রেগরি পেকীয় কায়দায় ‘নড’ করে সে নাকি ভাইকে খাঁটি মিশনারি উচ্চারণে 'গুড মর্নিং, স্যার' বলত। পড়ুন
ওরা ক্লাস করে
সে যে বেঁচে আছে রাজপথে
সকালের কাগজ রোজই কোনও না কোনও খারাপ খবর নিয়ে আসে এখন। দিনের প্রথম চা বিস্বাদ ঠেকে মুখে। তবু জানা অভ্যেস আর অজানা আতঙ্ক থেকে খবরের কাগজ পড়তেই হয় আমাদের। পড়ুন
সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
শব্দের পিঠে মিঠে শব্দ বসিয়ে অন্য জীবনের নিশি ডাক। চেনা কথার আঁকি-বুকিতে সুখ-দুখের অচেনা ভুবনের ছবি। সে শব্দ-ছবিতে যেন যৌবনের আগুনপাখি ডানা মেলে উড়ে যায়। সঙ্গীতার লেখা তারই উড়ান।
শ্রীজাত
বাংলা সাহিত্যের এ যুগের কবি। তাঁর শব্দচয়ন নতুন প্রজন্মের মন জয় করেছে। বাংলা কবিতাকে দিয়েছে আটপৌরে সাজ, বাংলা গানকে দিয়েছে অনেক বেশি সম্ভাবনা। কিন্তু গদ্য? বিশেষ করে আত্মকথন? এই প্রথম মনের কথা বাংলা ব্লগে পাঠকমনে পৌঁছে দিচ্ছেন শ্রীজাত। কবিতার মতোই তা নির্ভার, নির্মেদ।
রংগন চক্রবর্তী
অডিও ভিস্যুয়াল মাধ্যমে ভাষা দিয়ে ছবি লেখেন বিচিত্র ভাবনায়। তাঁর লিখনের অনায়াস ভঙ্গি ছুঁয়ে যেতে পারে রূপ, রস, গন্ধের অনেক না বলা বিষয়। সাধারণের মাঝে থেকেই তিনি খুঁজে ফেরেন অসাধারণ; মুহূর্তকে বদলে ফেলেন বিশ্বজনীনতায়। আর তাকে বিশেষ করে তোলে তাঁর সরস লেখন।
তাপস সিংহ
বারে বারে তাঁর লেখায় ঘুরেফিরে আসে প্রান্তিক মানুষজনের সুখ-দুঃখের সাতকাহন। প্রতিবাদী স্বর যাঁদের কণ্ঠে, তাঁদের কথা তিনি তুলে ধরেন বারে বারে। তাঁর নানান লেখায় মাওবাদী আন্দোলনের বিভিন্ন দিক, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অজস্র ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। এবার ব্লগে তাঁর কলম পরিক্রমা করবে জীবনের নানান পাকদণ্ডীতে।
বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
বাংলা সাহিত্যের শক্তিশালী এই কবির জীবনদৃষ্টি তাঁর শব্দচয়নের মতোই সহজ। সেই সহজ দেখা আর সহজ কথার দাম্পত্য এসেছে কবি বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর শিক্ষকতার বিচিত্র অভিঞ্জতা। সেই চেনা ছবির জন্যে কলম ধরলেন বিনাযক বন্দ্যোপাধ্যায় ।'ওরা ক্লাস করে' তার নতুন ব্লগ।ওদের কথাই অক্ষর হয়ে ফুটে ওঠে এই ব্লগে।
দামু মুখোপাধ্যায়
কলকাতাতেই জম্ম-কম্ম, বেড়ে ওঠা, ভালবাসা। রোজগারের তাগিদে চাকরি। তবে মনের খোরাক জোগাতে নোলার শরণাপন্ন। ভালবাসেন শহরের আলি-গলি-রাজপথ। আর তার আনাচে-কানাচে খুঁজে বেড়ান রসনার জিয়নকাঠি। সেই টানেই তাঁর সফর, শহরের প্রান্ত ছাড়িয়ে স্বাদের দিগন্তে।
শুভময় মিত্র
প্রকৃতি এবং তার রহস্যের দুর্নিবার টানে পথ-ই তার ঘর। কিন্তু শুধু অফুরান ভ্রমণেই তাঁর তৃপ্তি নেই। তাই মুহূর্তকে বন্দী করতে মানুষটি হাতে তুলে নিয়েছেন যুগপৎ কলম এবং ক্যামেরা। এহেন পথিক শুভময় মিত্র-র কলমে এবং ছবিতে এই ব্লগ হাজির করছে নিরুদ্দেশের ঠিকানা।
অমিতাভ গুপ্ত
সাদা পাতার সঙ্গে তাঁর নিত্য সহবাস। সই পাতানোর শুরু সেই ফেলে আসা ছেলেবেলায়। চেনা কলকাতার খোলনোলচে নিংড়ে বেরোনো অচেনা গন্ধ এবার বাঁধা পড়ল তাঁর ব্লগে।
অতনু বর্মণ
রাঙামাটির দেশ বীরভূমের একটি নাটকের দলে নাট্যকার হিসেবে অতনু বর্মণের আত্মপ্রকাশ। কবিতার অলিগলি বেয়ে এরপর বেশ কিছু আবৃত্তির অডিও রিলিজ। আরও কিছু পরে একটি বিখ্যাত রিয়্যালিটি শো-এর মঞ্চ উজ্জ্বল করে তোলে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ রসিক স্বভাব; সার্থকতাও সেই পথেই। বর্তমানে সিনেমা আর ছোট পর্দায় চিত্রনাট্য লেখালিখি এবং অভিনয়- দুটোই তিনি সামলাচ্ছেন সাবলীলভাবে সেই ব্যঙ্গের কলমে। তাঁর ব্লগেও থাকছে বাঙালিয়ানার নানান দিক নিয়ে রঙ্গব্যঙ্গের শাণিত ধার।
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়
লেখক যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্রের অধ্যাপক। ছায়াছবির যেমন দৃশ্যবিভাগ, ঠিক সেভাবেই তাঁর কথায় জন্ম নেয় অনন্ত চিত্রপট। যুক্তি, তর্ক আর গল্পের সরস মিশেলে সংস্কৃতির যে কোনও বিভাগেই তাঁর সহজ বিচরণ। সেই অনন্তকণারা এবার বন্দী হল তাঁর বাংলা ব্লগে।
ঋজু বসু
খাবারের পিছনে খবর খোঁজা তাঁর একটি খেয়াল। আরও রংবেরঙের খেয়ালপোকা তাঁর মগজে সতত ঘুরঘুর করছে।
আশিস পাঠক
তর্কতপ্ত এই সময়ে চারপাশের দুনিয়ায় সব সময়ই চলছে রামখটাখট ঘ্যাচাংঘ্যাঁচ। নিয়ত ঘটমান সেই গোলের মধ্যে দু' দণ্ড দাঁড়িয়ে, সাহিত্যের সরণি ছুঁয়ে এই ব্লগে ঘোরাফেরা করবেন আশিস পাঠক। তবে পল্লবগ্রাহিতার সাম্প্রতিকে নয়। বর্তমানকে রানওয়ে করে তিনি টেক অফ করবেন ভাবনার নতুন আকাশে। শুরু হচ্ছে তাঁর নতুন ব্লগ 'ইদানীং'।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
কবিতা প্রথম প্রেম হলেও বাংলা সাহিত্যের সব ধারায় তাঁর অনায়াস যাতায়াত। আভিধানিক জটিলতা ভেঙে সহজ ভাবে চলে ফেরে তাঁর গদ্য। জীবন চলায় যা কিছু দেখা, শোনা; তাই নিয়েই কথা বলে সুনীলের প্রথম বাংলা ব্লগ।
রূপায়ণ ভট্টাচার্য
খেলা মানে শুধু জেতা-হারা নয়, বরং জীবনের সা-রে-গা-মা, সেটা তাঁর লেখাতেই পরিষ্কার ধরা পড়ে। খেলার মাঠের হার জিৎ ছাপিয়ে তাঁর লেখা হয়ে ওঠে জীবনযুদ্ধের দলিল। সেই দলিলে থাকে হাসি কান্না, পরিশ্রম, অধ্যাবসায়, কখনও বা নিছক বিনোদন।
মৈনাক বিশ্বাস
জীবন জুড়ে তাঁর শব্দ-ছবির ছায়াজাল। কলমে ছবি কথা বলে। সে কথায় বাংলা ছবির হারিয়ে যাওয়া কলকাতার কানাগলি, হররোজের হারানো সুর। লেখক যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্রের অধ্যাপক।
গৌতম বসুমল্লিক
কলকাতার গলি থেকে রাজপথের ইতিহাস তাঁর নখদর্পণে। দ্রুত বদলে যাওয়া এই শহরের বুকে পুরনো কলকাতার চিহ্ন খুঁজে বেরানো তাঁর নেশা। ইতিহাস চর্চা এবং সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতার মিশেলে তাঁর লেখার মেজাজটি স্বতন্ত্র।
পথিক গুহ
বাংলা ভাষায় যথার্থ বিজ্ঞান সাংবাদিকতা যদি কেউ করে থাকেন তিনি পথিক গুহ। ফিজিক্স, কোয়ান্টাম মেকানিক্স বা বায়োলজির দুরূহ সব বিষয় তাঁর কলমে হয়ে ওঠে নিখাদ সাহিত্য। কাব্য, দর্শনের উপলব্ধির সঙ্গে অনায়াসে মিলে যায় গণিতের হাইপোথেসিস। তাঁর ব্লগ ১৭২৯ বিজ্ঞানের জানা-অজানায় এক নতুন অভিযান।



