বড়চর্চা

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

সৌমিত্র মিত্র
কলকাতা, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১২

Sakti Chattopadhyay

শীতকুমারী ও বসন্তকুমারের সংলাপের ফাঁকে ফাঁকে রবীন্দ্রসঙ্গীত। ছবি- ফাইল চিত্র

একটি কাব্যনাট্য লিখবেন শক্তি চট্টোপাধ্যায়, তাতে যুক্ত হবে রবীন্দ্রসঙ্গীত। তার পর একটি অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হবে সেই কাব্যনাট্যটি। বর্ধমানের কাছে কানাইনাটশাল বাংলোয় সপরিবারে আমার এবং শক্তিদার যাওয়ার দিন স্থির হল। কাব্যনাট্য সেখানেই লেখা হবে, কবির প্রিয় জায়গা। যাওয়ার দিন সকালে শক্তিদার বাড়ি গিয়ে দেখি বাবুই, তাতার, মীনাক্ষীদি তৈরি, কিন্তু শক্তিদা সকালে বাজার করতে বেরিয়ে উধাও। আমি মুনমুনকে রেখে শক্তিদার খোঁজ করতে বেরিয়ে পড়লাম।
শক্তিদার ডেরাগুলো আমার সবই জানা। কাছেই সমরেশ বসু, সমরেন্দ্র সেনগুপ্ত, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, আয়ান রশিদের বাড়ি, কোথাও শক্তিদাকে পেলাম না। শেষে ভরদুপুরে বালিগঞ্জে দ্বারিক মিত্র-র বাড়িতে খোঁজ পাওয়া গেল। সাদা পানীয় সেবনে টইটম্বুর তিনি। ধরে-বেঁধে বাড়িতে নিয়ে এলাম। পর দিন যাওয়া স্থির হল। কানাইনাটশাল বাংলোতে পৌঁছে শক্তিদার কাব্যনাট্য লেখায় আর মন নেই। গল্প, বাজার করা, আর খুনসুটিতে মেতে রইলেন। শেষমেশ লিখতে বসলেন। আদুড় গায়ে উপুড় হয়ে শুয়ে লিখতে ভালবাসতেন। আমাকে বললেন, ঘণ্টা দুই সময় দে। সকালের খাওয়া শেষ করে, আমরা শুনতে বসলাম সেই কাব্যনাট্য শীত বসন্তের সংলাপ। শীতকুমারী ও বসন্তকুমারের সংলাপের ফাঁকে ফাঁকে রবীন্দ্রসঙ্গীত।
বাইরে হিমেল হাওয়া, শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের জলদমন্দ্র কণ্ঠস্বর
এসো নীলাঞ্জন মেঘ
পিঁড়ি পাতা আছে
দু’দণ্ডের জন্য বসো
যদি হাতে থাকে সময়
জানো প্রবাসিনী
দু’দণ্ড সুখের চেয়ে
দুঃখ খুবই বড় অবিনাশী।
বার্নপুরে একটি অনুষ্ঠানে প্রথমে পরিবেশিত হয়েছিল কাব্যনাট্যটি।
সে এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

আনন্দবাজার পত্রিকা

অন্যরা যা পড়ছেন

এই বিষয়ে আরও

জনপ্রিয়

সমস্ত ভিডিও

চার কেন্দ্রে চতুর্মুখী লড়াই

এবিপি আনন্দ

দেখেছেন 95 জন

স্বাগত নোটা, রাজ্যে প্রথমবার

এবিপি আনন্দ

দেখেছেন 75 জন

কাঞ্চির প্রথম যৌবন উদযাপন

মুক্তা আর্টস

দেখেছেন 603 জন